জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৮

বর্তমান গণতন্ত্র ও রাজীব হত্যা

বর্তমান গণতন্ত্র শুধুমাত্র অর্থ সম্পদে পরিপুষ্ট মানুষ গুলোর জন্যই নির্ধারিত। যাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ইংরেজির আধুনিক সংস্করণ VVIP লেন নামক নতুন নতুন দাবি উত্থাপন হচ্ছে রাত দিন। আচ্ছা বলতে পারেন- গণতন্ত্রের চালিকা শক্তি কারা? এদেশে ভোট দিয়ে যারা জনপ্রিয় নেতা নির্বাচন করেন একবুক আশা নিয়ে এরা নাকি যারা গণতন্ত্রকে হাতিয়ার বানিয়ে মধ্যম থেকে নিম্ম শ্রেণির মানুষ গুলোকে নানা আইনের যাতাকলে পিষ্ট করার অভিলাষ দেখায়। 
হ্যাঁ আমি রাজীবের কথা বলছি। সেই সুদূর ভোলা থেকে এসেছিল যান্ত্রিক শহর ঢাকাতে। উদ্দেশ্য ছিল স্বপ্ন বিনির্মাণ, কিন্তু গতকাল (১৬-০৪-২০১৮) রাতে সেই স্বপ্নের মৃত্যু ঘটেছে উদ্দেশ্যহীন রাজনীতির যাতাকলে পরে। কেননা এদেশের আইন রাজীবের জন্য না হলেও আইনের প্রয়োগ ঘটে রাজিবের মত মধ্য কিংবা নিম্ম শ্রেণির মানুষের উপরই। রাস্তার আইন আছে কিন্তু সেই আইন তথাকথিত সেই সব মানুষদের জন্য যারা সর্বদা রাজীবের মত প্রান গুলোকে বেলা শেষে নির্জীব উপহার দিয়ে মত্ত থাকে ভোটের হিসাব কষতে। এদেশে রাজীবের মত মানুষ গুলো স্বপ্ন বিনির্মাণের পথে কখনো কারোর ভিক্ষা প্রত্যাশা করে না, তারা শুধুমাত্র চাই গণতন্ত্রের দেশে আইনের সমানাধিকার। তা না হলে আজ রাজীব, কাল ওমুক পরশু হয়ত আমি কিংবা আপনি এভাবেই রাস্তায় প্রান দিতে থাকবে এই দেশের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন দেখা মানুষ গুলো। প্রিয় রাজীব, আপনি উন্নয়নের মহাসড়কে প্রান দিয়ে দেখিয়ে দিলেন উন্নয়নের মহাসড়কের দুর্বলতা। আমি আন্তরিকভাবে প্রত্যাশা করবো রাষ্ট্র এই দুর্বলতা গুলো চিহ্নিত করে খুব শীঘ্রই আন্তরিকভাবে দূর করবে এবং সকলের জন্য সমান আইন প্রতিষ্ঠা করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলন হোক দলীয় চেতনার উর্ধ্বে

কোটা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আশ্বাস্ত হয়েছিলাম কিন্তু এখন কোটা নিয়ে দলীয় চেতনা আবারও শক্ত প্রতিপক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছে। কেননা বিভিন্ন মিডিয়া এখন আন্দোলনকারীদের জামাত শিবির কিংবা রাজাকার প্রমাণে ব্যস্ত। তাহলে কি দাঁড়ালো? মতিয়া চৌধুরির বক্তব্য প্রমাণই ঠিক। আমরা সবাই জানি মতিয়া চৌধুরির ভাষ্য মতে, এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী লাখ লাখ ছাত্রের বাবা রাজাকার ছিল? আচ্ছা অনেক শিক্ষার্থীর বাবা তো মুক্তিযুদ্ধের পরেও জন্ম গ্রহণ করেছে কিংবা অনেকের বাবা যুদ্ধের সময় সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও মুক্তিযোদ্ধাদের নানাবিধ সাহায্য করেছ্‌ (সেটা মৌন, জলপানীয়, কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ বাড়িতে একবেলা বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ করে দিয়ে) অথবা অনেকেই আছেন যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও সার্টিফিক নেয় নি তাহলে এরা সবাই কি এখন দলীয় চেতনায় রাজাকারের কোটা হয়ে যাবে? জানি না এই দেশের ছাত্র সমাজ কবে মুক্তি পাবে এই সব দলীয় চেতনার কোটা থেকে। এই ছাত্র সমাজ চাই স্বাধীনতার চেতনা, যেটা সৃষ্টি করে দিয়ে গিয়েছিল জাতিক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কিন্তু আজ সেখানে দলীয় চেতনার ভাবাদর্শে আবৃত শাসক ছায়া গুলো গলা টিপে হত্যা করতে চাই এই দেশের ছাত্র সমাজকে। ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবো স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা পরবর্তী যত গুলো ছাত্র আন্দোলন এদেশে সংঘটিত হয়েছে তার কোনটাতেই দলীয় চেতনা স্থান পায় নি। সর্বদা জাতীয় সমস্যা নিয়ে দলমত নির্বিশেষে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে আপামত ছাত্র সমাজ। সর্বশেষ ২০০৮ সালের ছাত্র সমাজের আন্দোলনের দিকে লক্ষ্য করলেই সেটা সুস্পষ্ট। কেননা এই আন্দোলনে কোন দলীয় স্বার্থ ছিল না, ছিল না কোন নিজ স্বার্থ...ছিল কেবল স্বৈরাচারী শাসক গোষ্ঠীর হাত থেকে মুক্তির উপায়।কিন্তু আজ আপামর ছাত্র সমাজের গণদাবী নিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে তাদেরে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় সে রাজাকার কিংবা তার চৌদ্দ গোষ্ঠী রাজাকার। (ক্ষেত্র বিশেষে দেখা যায় মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেকের বাবা জন্মগ্রহণই করে নি অথচ তাকেও রাজাকার বলে হেয় করার চেষ্টা চলছে)। আর সাথে পাল্লা দিয়ে চলে দালাল কিংবা চাটুকার মিডিয়ার রাজাকার প্রমাণের পৈশাচিক প্রচেষ্টা। এই সব দালাল কিংবা চাটুকার মিডিয়া এই গুলোর মাধ্যমে যে বর্তমান প্রজন্মকে হেয় করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত সেটা বুঝতে গবেষণার প্রযোজন না হলেও অবুঝের মত চোখ বুঝে সেই খেলার রেফারি হয়ে খেলা চালিয়ে যাচ্ছে এই দেশের শাসক গোষ্ঠী। যেটা সত্যিই কাম্য নয়। ভোটের বাজারে তরুণ প্রজন্মের ন্যায্য দাবীকে বর্তমান শাসক গোষ্ঠী প্রাধান্য দিবে বলে এখনো প্রত্যাশা রাখি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে রাখতে কিংবা স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি রুখে দাঁড়াতে গেলেও এই তরুণ প্রজন্মকেই সবার আগে প্রয়োজন পড়বে এটা জাতিকে ভুলে গেলে চলবে না এবং সেই তরুণ প্রজন্ম যে সকল বাধা রুখে দিয়ে লাল সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে জানে সেটা জাতি হিসেবে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না এবং এখনো আশ্বাস রাখি জননেত্রী ছাত্রদের গণদাবীকে অগ্রাহ্য করবেন না।

কোটা সংস্কারকারীদের উপর পুলিশি তান্ডব

কোটা সংস্কার নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার দুঃখ ও অনুশোচনা হচ্ছে আমি গত দুই বার নৌকায় ভোট দিয়ে আমাদেরই ভাইদের উপর টিয়ার শেল, গুলি চালানোর সুযোগ করে দিয়েছি। আমাকে ক্ষমা করে দিবেন কেননা আমারই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে আজ হয়ত আপনার উপর টিয়ার শেলের আঘাত করেছে শাসক গোষ্ঠী। ডিজিটালের কথা বলে এদেশের শিক্ষার্থীদের উপর চলছে অবিচার। আমি দ্বিধাহীন কন্ঠে বলতে চাই আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন সৈনিক আর এখন আমি শুধুমাত্র ভোটের অপেক্ষার প্রহরে থাকা এক প্রতিবাদী যুবক। আজকের জবাবটা আমি ব্যালট পেপারেই দিতে চাই।

শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৫

মানুষের চিন্তা ও বুদ্ধিজীবী

মানুষের চিন্তা গুলো সব সময় বুদ্ধিবৃত্তিক হলেও তা ব্যবহারের উপর নির্ভর করে সে আসলে কত দূর যাবে। কিন্তু আমাদের দেশের মাথা মোটা বুদ্ধিজীবী গুলোর চিন্তার প্রধান লক্ষ্য থাকে সে কতটুকু মিডিয়ার সামনে এসে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে...আমাদের প্রধান সমস্যা ঐখানেই কেননা আমরা মনস্তাত্বিক সমস্যার চেয়ে বস্তুগত সমস্যাকে বেশি প্রাধান্য দিই...জাতি হিসেবে আমাদের কিছু সমস্যা আছে কিন্তু এই বুদ্ধিজীবী শ্রেণী সেগুলোকে বহিঃবিশ্বের কাছে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে। যা সত্যিই হতাশাব্যঞ্জক কেননা চিন্তাততে দলীয় প্রাধান্য না দিয়ে বিবেককে প্রাধান্য দিলেই সে সত্যিকার মহা জ্ঞানী হিসেবে অধিষ্ঠিত হতে পারে। কিন্তু এই ভূলটা আমাদের বুদ্ধিজীবীরা প্রায়ই করে। যদিও তাদের সমালোচনা করার অধিকার আমার নেই কিন্তু আমি আমার মতামত প্রকাশের বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করবো না...কেননা জাতি হিসেবে বাঙ্গালীত্বকে ধারণ এবং লালন ১৬ কোটি খেটে খাওয়া মানুষ গুলোই করে। যাদের মধ্যে এক চতুর্থাংশই আবার দরিদ্র শ্রেণীর। তাই সর্বপ্রথম প্রতিটি বুদ্ধিজীবীকে মাথায় রাখা উচিত দলীয় চেতনা কি নিজের চেতনা হয়ে যাচ্ছে না কি স্বাধীন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের চেতনা হয়ে যাচ্ছে। চিন্তার ঘরটা বন্দি না করে বরং উন্মুক্ত করতে হবে খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর মাঝে তাহলে দেশ তার কাংখিত সোনার বাংলা হয়ে উঠবে অন্যথায় এই সব বুদ্ধিজীবী গুলো দলীয় চেতনায় বুদ হয়ে লুটে পুটে খেয়ে শুধু আহাকারই রাখবে...... 

সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

রাজনৈতিক দাসত্ব কিংবা প্রভুত্ব

রাজনীতি করা উত্তম কিন্তু তাই বলে রাজনৈতিক দাসত্ব কিংবা প্রভুত্ব শিকার করার কোন মানে হয় না। কেননা আমার কাছে রাজনৈতিক দাসত্ব আর প্রতিবন্ধীর মধ্যে ন্যুনতম পার্থক্য আছে বলে মনে হয় না। কিছু দিন এক বন্ধু একটা নির্দিষ্ট দলের সাপোর্টার হওয়ায় তার দলই ভাল বলে গীত গাইতে গাইতে যখন ক্লান্ত তখন তাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলাম এখন স্বাধীন চিন্তা করতে শেখ...কিন্তু কে শুনে কার কথা...ও যে রাজনৈতিক দাসত্ব শিকার হয়ে বসে আছে...যাকে আমি বলি রাজনৈতিক প্রতিবন্ধী...আমি মনে করি একজন শিক্ষিত মানুষের উচিত মুক্ত চিন্তায় উদ্দীপ্ত হওয়া কেননা মুক্ত চিন্তায় তার রাজনৈতিক বিবেক, বুদ্ধিকে আলোক দিপ্ত করে যা দিয়ে সে সুন্দর পৃথিবী সাজাতে পারবে। কিন্তু রাজনৈতিক দাসত্ব কিংবা রাজনৈতিক প্রতিবন্ধত্বতা যাই বলেন না কেন হয়ত সাময়িক আপনি মুখের জোরে জিতে আসতে পারবেন কিন্তু জীবনের বড় কিছু ক্ষেত্রে আপনাকে এমন ভাবে কাঁদাবে যখন চেয়ে দেখা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।

রঙ্গহীন ভালবাসা

আমি জানি না কখন হবে ভোর...শিশিরের সব রঙ তো শুকিয়ে যেতে বসেছে, ডাহুক পাখি সারা রাত ভোরের জন্য আর্তনাদ করে ঘরে ফিরেছে সেই কখন...তবুও এখনও ভোর হলো না কেন? তাহলে কি বাংলার মায়ের সন্তানেরা ঘুমিয়ে আছে...না কি ঘুম তাদেরকে নিশ্চল করে ফেলেছে...১৬ কোটি বাঙ্গালীর বাঁচার তীব্র আর্তনাদ কি তাহলে এক নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে????বাংলা মায়ের সন্তানেরা তো এত কাপুরুষ না...তাহলে কি হলো!!!ভোরের সূর্যের তপ্ত রোদ কি তাদের ঘুম ভাঙ্গাতে পারবে না...না কি আরোও নতুন দিনের অপেক্ষায় বসে থাকতে হবে। তারা কি আহাজারিত মায়ের কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই না...না কি বদ্ধ ঘরের রুদ্ধতার মাঝে কান্নার আওয়াজ স্পর্শ করতে পারে না। আমরা তো জানি বাংলা মায়ের সন্তানেরা ভোরের শিশির দিয়ে স্ন্যান করতে ভালবাসে তাহলে আজ কি হলো তাদের? তারা কি তাহলে ভোরের হিম শীতল কুয়াশার মাঝে হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে বসে আছে...

গঠনমূলক সমালোচনা

গঠনমূলক সমালোচনা ব্যক্তির বাস্তবতাকে উপস্থাপন করে এবং এরই মাধ্যমে ব্যক্তি তার কর্ম সম্পর্কে অভিহিত হতে পারেন কিন্তু আমাদের দেশে সমালোচনা করা মানেই ব্যক্তির শুধুমাত্র খারাপ দিকই তুলে ধরা হয় এমন একটি ধারণার প্রবণতা আছে। আমি কিছু দিন যাবত বাংলাদেশের একজন বড় মাপের বুদ্ধিজীবীর খারাপ দিন গুলো জানার অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি কেননা আমাদের দেশের মন্ত্রী, এমপি, প্রধানমন্ত্রী, সরকারী আমলা কিংবা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে সমালোচনার অধিকার নাই। ফলে সাধারণ জনগণ তাদেরকে ঈশ্বর বলে ক্ষেত্র বিশেষে অভিহিত করে। কিন্তু তাদের ভুল গুলো নিয়ে যদি সাধারণ জনগনের কিংবা লেখকদের গঠনমূলক সমালোচনা করার অধিকার দেয়া হত তাহলে হয়ত তারা তাদের ভুল গুলো সহজেই বুঝতে পারতো এবং পরবর্তীতে ভালো কাজ করার প্রতি উদ্ধুদ্ধ হত...এতে করে বাংলাদেশ অনেক উপকৃত হত বলে আমি মনে করি। কিন্তু তা তো সম্ভবই নয় বরং করলে হিতে বিপরীত...আর এই হিতে বিপরীতের সুযোগ নিয়েই রচিত হচ্ছে তাদের কল্প কথা...আর যারই ফল আজ আমাদের জাতি হিসেবে এত হতাশা...জাতি হিসেবে তাদের গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার কেন পাবো না তা আমার মাথায় ঢুকে না কোন ভাবেই...হয়ত বলার মানসিকতাটাকেও আমরা হারিয়ে ফেলেছি...আমি হারিয়ে ফেলেছি বলবো না বরং আমরা আমাদের বিবেক স্বত্তাকে তাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি বলবো...গঠনমূলক সমালোচনা মানুষকে সঠিক পথে রাখে কিন্তু এদেশের গঠনমূলক সমালোচনাকে বস্তা বন্দি লাশ করে রাখা হয়েছে এবং হচ্ছে...যা আমার দৃষ্টিতে মোটেও শোভনীয় না বীর বাঙ্গালী জাতির জন্য...আশা করি একদিন আমরা গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার পাবো এবং আমি এদেশের মন্ত্রী, এমপি, সরকারী আমলা কিংবা বুদ্ধিজীবীদের গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারবো...কেননা আমি এদেরকে নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করতে উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছি...
   জয় বাংলা♥  
   জয় হোক গঠনমূলক সমালোচনাকারীদের♥